রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান হতে পারে যেভাবে

রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে নিশ্চুপ থাকায় মিয়ানমারের নোবেল বিজয়ী নেত্রী অং সান সু চির সমালোচনা করে মানবাধিকার সংস্থা।

এইচআরডব্লিউর জাতিসংঘবিষয়ক উপপরিচালক অক্ষয় কুমার বলেন, মিয়ানমার নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদ সর্বশেষ যখন বসেছিল, এরপর থেকে এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ১০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে শরণার্থী হতে বাধ্য হয়েছে।

তিনি বলেন, এইচআরডব্লিউর মাঠপর্যায়ের কর্মীরা জানিয়েছেন, রাখাইন রাজ্যে এখনো আগুন জ্বলছে। হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালাচ্ছে।

গতকাল বুধবার নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল।

যুক্তরাজ্য ও সুইডেনের আহ্বানে এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক হবে।

এর আগে ৩০ আগস্টও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বৈঠক করেছিল নিরাপত্তা পরিষদ।

তবে তখন কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

এইচআরডব্লিউর জাতিসংঘবিষয়ক পরিচালক লুইস চাহবনু এক বিবৃতিতে বলেছেন, মিয়ানমারের জাতিগত নিধন হচ্ছে ব্যাপক আকারে।

কিন্তু মনে হচ্ছে নিরাপত্তা পরিষদ বদ্ধ দুয়ার খুলে ক্যামেরার সামনে আসতে পারছে না।

এটা খুবই দুঃখজনক।

এইচআরডব্লিউ বলছে, কেবল নিন্দার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নিরাপত্তা পরিষদ রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারে।

Leave a Reply